ব্যক্তিগত উপাত্তের নিরাপত্তা জোরদার ও আইনের প্রয়োগ সহজ করতে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশোধিত এই অধ্যাদেশে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর সিআইআই উপাত্তের একটি রিয়াল-টাইম কপি দেশের অভ্যন্তরে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও সাইবার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশোধিত অধ্যাদেশের ধারা ২৯-এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে ক্লাউডে সংরক্ষিত উপাত্তের অন্তত একটি সিংক্রোনাইজড রিয়াল-টাইম কপি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে রাখতে হবে। একই বিধান সীমাবদ্ধ ব্যক্তিগত উপাত্তের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া মূল অধ্যাদেশের ধারা ৪৮-এ উল্লেখিত শাস্তির বিধানেও সংশোধন আনা হয়েছে। আগে যেখানে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান ছিল, সেখানে সংশোধিত অধ্যাদেশে কেবল অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ফলে এই ধারার আওতায় সংঘটিত অপরাধে শাস্তি হিসেবে শুধু আর্থিক জরিমানাই কার্যকর হবে।
শনিবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম জানান, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন ৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন।
সিএ/এমআর


