সোমবার প্রকাশিত এক ব্লগ পোস্টে স্ন্যাপচ্যাট জানিয়েছে, জানুয়ারির শেষ নাগাদ অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সী বা নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৬ বছরের নিচে শনাক্ত হওয়া ব্যবহারকারীদের এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে।
স্ন্যাপচ্যাট বলেছে, প্রতিদিন আরও বেশি সংখ্যক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে বন্ধের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গেল বছরের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সরকার ১০টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ১৬ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে আইন জারি করে, যার মধ্যে স্ন্যাপচ্যাট অন্যতম।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ চলতি বছরের জানুয়ারিতে জানান, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার প্রথম কয়েক দিনেই প্রায় ৪৭ লাখ অ্যাকাউন্ট সরানো হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পর কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও সামনে এসেছে।
কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ন্যাপচ্যাটের মুখমণ্ডল দেখে বয়স শনাক্তের প্রযুক্তি সহজেই ফাঁকি দিতে পারছে টিনএজাররা। এ বিষয়ে স্ন্যাপচ্যাট সতর্ক করে বলেছে, আইন বাস্তবায়নে এখনও বড় ধরনের কিছু ফাঁকফোকর রয়েছে।
স্ন্যাপচ্যাটের ভাষায়, “সঠিক ও নির্ভরযোগ্যভাবে বয়স যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কারিগরি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।”
আরও বলা হয়, মুখমণ্ডল শনাক্ত প্রযুক্তি প্রকৃত বয়সের তুলনায় দুই থেকে তিন বছরের ব্যবধান দেখাতে পারে।
“বাস্তবে এর মানে, ১৬ বছরের কম বয়সীরা এ সুরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে পারে। ফলে তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে, যাদের বয়স ১৬ বছরের বেশি ভুলবশত তাদের অ্যাকাউন্টও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।”
স্ন্যাপচ্যাট আরও জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা কম নিয়ন্ত্রিত মেসেজিং অ্যাপের দিকে কিশোরদের ঝুঁকে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে। এ পরিবর্তনের বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সিএ/এমআর


