কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এই অগ্রযাত্রা যেমন মানুষের কাজকে সহজ করছে, তেমনি নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগও তৈরি করছে। আগামীর প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করা বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশ এআইয়ের সম্ভাবনার পাশাপাশি এর ঝুঁকি নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ঘটনায় জনপ্রিয় এআই প্ল্যাটফর্ম চ্যাটজিপিটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন না থাকা কিংবা সর্বশেষ লগইন তথ্য ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান না হওয়ার মতো বিষয়গুলো অভিযোগের তালিকায় এসেছে। এসব সীমাবদ্ধতা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।
এর মধ্যেই চ্যাটজিপিটিতে একের পর এক নতুন ফিচার যুক্ত করা হচ্ছে। এসব ফিচারের মাধ্যমে নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদের কাজ আগের তুলনায় আরও সহজ হয়েছে। আলোচিত নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে জিপিটি মেনশন্স, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব কাস্টম জিপিটি বা ব্যক্তিগত চ্যাটবট তৈরি করতে পারবেন। ফলে নির্দিষ্ট কাজের জন্য আলাদা করে এআই সহকারী ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তবে এই বিশেষ ফিচারের সুবিধা বিনামূল্যে পাওয়া যাবে না। চ্যাটজিপিটি প্লাস সাবস্ক্রিপশন গ্রহণকারী ব্যবহারকারীরাই কেবল এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। এই ফিচারের মাধ্যমে জটিল নানা কাজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সহজে সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এর ফলে চ্যাটজিপিটির গ্রাহকসংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
অন্যদিকে, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগে চ্যাটজিপিটি ইতোমধ্যে একাধিকবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এসব ঘটনার পর ব্যবহারকারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে কী ধরনের সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের।
সিএ/এমআর


