শীতকালে গরম পানি থাকা শুধু আরামের বিষয় নয়, এটি দৈনন্দিন জীবনের একটি প্রয়োজন। গিজার হলো সেই যন্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম যা বাড়ির বিদ্যুতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে।
গিজারের বিদ্যুৎ খরচ হিসাব করা মোটেও জটিল নয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি গিজারের পাওয়ার রেটিং ২০০০ ওয়াট (২ কিলোওয়াট) হয় এবং এটি প্রতিদিন ২ ঘণ্টা চলে, দৈনিক বিদ্যুৎ ব্যবহার হবে ২ কিলোওয়াট × ২ ঘণ্টা = ৪ কিলোওয়াট আওয়ার। মাসিক ব্যবহারের জন্য: ৪ × ৩০ দিন = ১২০ কিলোওয়াট আওয়ার। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ধরলে ৭ টাকা, মাসিক খরচ হবে প্রায় ৮৪০ টাকা।
গিজারের বিদ্যুৎ খরচ প্রভাবিত করে:
- ওয়াটেজ: বেশি ওয়াট মানে দ্রুত পানি গরম কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ বেশি।
- ব্যবহারের সময়কাল: দীর্ঘ সময় ব্যবহার খরচ বাড়ায়।
- পানির পরিমাণ ও ট্যাঙ্ক ক্ষমতা: বড় স্টোরেজ গিজার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
- পানির প্রাথমিক তাপমাত্রা: ঠান্ডা পানি গরম করতে বেশি বিদ্যুৎ লাগে।
- থার্মোস্ট্যাট সেটিং: বেশি তাপমাত্রায় বিদ্যুৎ খরচ বেশি।
- ইনসুলেশন ও তাপ ক্ষতি: ভালো ইনসুলেশন কম বিদ্যুৎ খরচে সাহায্য করে।
- পরিবারের আকার ও ব্যবহার ফ্রিকোয়েন্সি: সদস্য বেশি ও বারবার ব্যবহার করলে খরচ বেড়ে যায়।
- স্কেল জমা ও রক্ষণাবেক্ষণ: হিটিং এলিমেন্টে খনিজ পদার্থ জমা হলে বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়ে।
সিএ/এমআর


