ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীর নানা তথ্য অজান্তেই সংগ্রহ করছে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলো। গ্যাজেটে বলা কথা, সার্চ হিস্ট্রি, অ্যাপ ব্যবহারের ধরণ ও চলাচলের তথ্য নিয়মিত ট্র্যাক হয়। এই তথ্য বিশ্লেষণ করেই ব্যবহারকারীর ফোনে ভেসে ওঠে নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন, রিলস কিংবা ভিডিও কনটেন্ট।
অনেক ব্যবহারকারী না জেনেই সার্বক্ষণিক লোকেশন ট্র্যাকিং অপশন চালু রাখেন। এতে একদিকে যেমন ব্যাটারি ও র্যাম অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকে, অন্যদিকে ব্যবহারকারীর চলাফেরার তথ্য সংরক্ষণ হতে থাকে গুগলের ডাটাবেসে। আশপাশের রেস্তোরাঁ, শপিংমল কিংবা দর্শনীয় স্থান সাজেস্ট করার মাধ্যমে কে কোথায় যাচ্ছেন, কখন যাচ্ছেন— এসব তথ্য পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রয়োজন না থাকলে সবসময় এই সুবিধা চালু রাখা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা অনেকাংশে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। এতে ব্যবহারকারীর চলাফেরার তথ্য গুগলের টাইমলাইনে সংরক্ষিত হবে না এবং অপ্রয়োজনীয় ট্র্যাকিং কমবে।
লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করতে প্রথমে গুগল ম্যাপে প্রবেশ করতে হবে। এরপর প্রোফাইল অপশনে ট্যাপ করে ডেটা অপশনে যেতে হবে। সেখানে লোকেশন হিস্ট্রি অপশন বন্ধ করে দিলে গুগল আর ব্যবহারকারীর অবস্থান সংরক্ষণ করবে না।
সিএ/এমআর


