ইসলামের আলোকে হিংসা ও বদনজরের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে বিস্তৃতভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এসব নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
হিংসা মানুষের অন্তরের শান্তি নষ্ট করে এবং অন্যের জীবনেও অশান্তি সৃষ্টি করে। আল্লাহ তাআলা হিংসার ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে তাঁর আশ্রয় গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, (আপনি বলুন, এবং আমি তাঁর আশ্রয় গ্রহণ করছি) হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে (সুরা ফালাক: ৫)।
কোরআনে হিংসার কারণে মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে মানুষকে যা দান করেছেন সে বিষয়ে তারা হিংসা করে (সুরা নিসা: ৫৪)।
হাদিসেও হিংসার ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, মানুষের হৃদয়ে দুটি জিনিস কখনো একত্রিত হতে পারে না, আর তা হলো ঈমান ও হিংসা। (নাসাঈ:৩১১১/ ৩১১৩)
বদনজরের প্রভাব সম্পর্কেও হাদিসে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বদনজরের কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি বাস্তব এবং এটি মানুষের জীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাঁচতে কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী বিভিন্ন আমলের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত দোয়া পাঠ, কোরআন তেলাওয়াত এবং আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখা।
কারো ভালো কিছু দেখলে তার জন্য বরকতের দোয়া করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে যেমন অন্য ব্যক্তি সুরক্ষিত থাকে, তেমনি নিজের মধ্যেও হিংসার প্রবণতা কমে আসে।
সিএ/এমআর


