ইসলামে জুমার দিনকে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত হলো—এর মধ্যে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে কবুল করেন।
হাদিসে এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: «يَوْمُ الْجُمُعَةِ اثْنَتَا عَشْرَةَ سَاعَةً، مِنْهَا سَاعَةٌ لَا يُوجَدُ عَبْدٌ مُسْلِمٌ يَسْأَلُ اللَّهَ فِيهَا شَيْئًا إِلَّا آتَاهُ إِيَّاهُ، فَالْتَمِسُوهَا آخِرَ سَاعَةٍ بَعْدَ الْعَصْرِ»
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “জুমার দিন বারোটি সময়াংশে বিভক্ত। এর মধ্যে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছু প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে তা দান করেন। সুতরাং তোমরা তা আসরের পরের শেষ সময়ে খুঁজে নাও।”
এ হাদিসে জুমার দিনের ভেতরে একটি বিশেষ সময়ের কথা বলা হয়েছে, যা রহমত ও কবুলিয়তের সময় হিসেবে বিবেচিত। আলেমদের মতে, এই সময়টি নির্দিষ্ট করে না জানিয়ে বরং খুঁজে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার মধ্যে গভীর তাৎপর্য রয়েছে। এতে মুসলমানরা পুরো দিনজুড়ে ইবাদতে মনোযোগী হওয়ার সুযোগ পায়।
বিশেষত আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়কে অধিক সম্ভাবনাময় হিসেবে ধরা হয়। তবে অন্য কিছু বর্ণনায় জুমার খুতবা ও নামাজের সময়কেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ হাদিস থেকে শিক্ষা পাওয়া যায়, জুমার দিনটি শুধু সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন নয়, বরং দোয়া, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
সিএ/এমআর


