ঈদ মুসলমানদের আনন্দের উৎসব। এ দিনে প্রথম কাজ হলো ঈদগাহে গিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবিদের যুগেও এটাই ছিল প্রধান আমল।
ধর্মীয় বর্ণনা অনুযায়ী, ঈদের দিন সকালে ইশরাক বা চাশতের নামাজ আদায় করা হয় না। নারী-পুরুষ কারও জন্যই ঈদের নামাজের আগে কোনো নফল নামাজ নির্ধারিত নেই।
হাদিস শরিফে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ يَومَ أَضْحَى، أَوْ فِطْرٍ، فَصَلَى رَكْعَتَيْنِ، لَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا.
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আজহা বা ঈদুল ফিতরের দিন বের হয়ে ঈদের দুই রাকাত নামাজ পড়েছেন। আগে পরে কোনো নামাজ পড়েননি।
ফুকাহায়ে কেরামরা এ হাদিসের ভিত্তিতে বলেছেন, ঈদের দিন ঈদের নামাজের আগে বা ঈদগাহে কোনো নফল নামাজ আদায় করা উচিত নয়। এমনকি ঈদের নামাজের পরও ঈদগাহে নফল নামাজ পড়া নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
তবে অন্য এক হাদিসে উল্লেখ আছে, ঈদের নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা যেতে পারে।
সিএ/এমআর


