রমজান মাসের শেষ সময়কে ইবাদতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়। এ সময় বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি এবং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ তৈরি হয়।
ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, রমজানের শেষ মুহূর্তগুলোতে বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার করা উচিত। মানুষের ইবাদতে নানা ত্রুটি থাকতে পারে, যা ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
এছাড়া সদকাতুল ফিতর আদায় করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। এটি রোজার ঘাটতি পূরণ করে এবং দরিদ্র মানুষের জন্য সহায়তা নিশ্চিত করে।
রমজানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে যায়—এই বাস্তবতা মানুষের জীবনের ক্ষণস্থায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই সময়ের যথাযথ মূল্যায়ন করে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সবশেষে, শুধু ইবাদত করাই যথেষ্ট নয়; বরং তা কবুল হওয়াই সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই এ সময় আল্লাহর কাছে দোয়া ও প্রার্থনায় মনোযোগী হওয়া উচিত।
সিএ/এমআর


