রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে অনেক সময় রোজাদাররা অসুস্থতা, মাথা ঘোরা বা বমির মতো সমস্যায় পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে রোজা ভেঙে গেল কি না বা কাজা আদায় করতে হবে কি না—এ নিয়ে অনেকের মধ্যেই দুশ্চিন্তা দেখা দেয়। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়, এ প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।
ইসলামিক স্কলারদের মতে, রোজা অবস্থায় বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না, তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং এ ক্ষেত্রে কাজা আদায় করতে হবে না।
তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং ওই রোজার কাজা আদায় করা আবশ্যক হবে। এ বিষয়ে ইসলামী শরিয়তে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—
مَنْ ذَرَعَهُ الْقَيْءُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَمَنْ اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ
যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।
এই নির্দেশনার আলোকে বমির ক্ষেত্রে রোজা ভাঙার বিষয়টি স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়
সিএ/এমআর


