রমজান কেবল রোজা রাখার মাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, নিয়ত পরিশুদ্ধ করা এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা বাড়ানোর সময়। এই মাসে সৎকর্মের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই রমজানকে অর্থবহ করে তুলতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
প্রথমত, দান-সদকা ও যাকাত আদায়। রমজানে দান করলে তা শুধু দরিদ্র মানুষের উপকারই করে না, দাতার অন্তরকেও পরিশুদ্ধ করে। যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সম্পদের পবিত্রতা রক্ষা হয় এবং অসহায় মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আসে।
দ্বিতীয়ত, রোজাদারকে ইফতার করানো ও অসহায় পরিবারকে সহায়তা করা। হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে সমপরিমাণ সওয়াব পাবে। কমিউনিটি পর্যায়ে ইফতার বিতরণ এই মাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক আমল।
তৃতীয়ত, কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করা। রমজান কোরআন নাজিলের মাস। তাই কেবল তিলাওয়াত নয়, অর্থ বোঝা ও জীবনে প্রয়োগ করার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ।
চতুর্থত, নিজের ও অন্যের জন্য দোয়া করা। রোজাদারের দোয়া কবুল হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। নিজের পাশাপাশি অসুস্থ, নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের জন্য দোয়া করা মানবিক দায়িত্বের অংশ।
পঞ্চমত, মানবসেবায় সক্রিয় অংশগ্রহণ। সময়, শ্রম বা দক্ষতা দিয়ে মানুষের উপকার করা রমজানে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আন্তরিক নিয়তেই এসব কাজ ইবাদতে পরিণত হয়।
সিএ/এমআর


