রমজান মাস শুধু না খেয়ে থাকার সময় নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও চরিত্র গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। রোজার মূল উদ্দেশ্য তাকওয়া অর্জন করা। কিন্তু কিছু কাজ আছে, যা রোজার সওয়াব কমিয়ে দেয় এবং এর প্রকৃত ফল থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে।
রোজা রেখে সারাদিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেওয়া রমজানের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী। এ মাস কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া ও নামাজে কাটানোর। অলসতায় সময় নষ্ট করলে রোজার শিক্ষা বাস্তবায়িত হয় না।
অযথা সময় অপচয় করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয়, অনর্থক আড্ডা রমজানের বরকত নষ্ট করে। মুমিনের পরিচয় হলো, সে অর্থহীন কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখে।
রোজা অবস্থায় গালিগালাজ, গিবত, মিথ্যা কথা ও ঝগড়া-বিবাদ থেকে বিরত থাকা জরুরি। জিহ্বার সংযম রোজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব কাজে লিপ্ত হলে রোজার মূল শিক্ষা ব্যাহত হয়।
ইফতারের পর হারাম কাজে জড়িয়ে পড়া কিংবা অতিরিক্ত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করাও রোজার আত্মাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রোজা সংযমের শিক্ষা দেয়, ভোগের নয়।
শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া অজুহাত দেখিয়ে রোজা না রাখা গুরুতর গুনাহ। পাশাপাশি রাগ নিয়ন্ত্রণ না করা এবং ফরজ নামাজ ত্যাগ করাও রোজার পূর্ণতা নষ্ট করে দেয়।
রমজান হলো নিজেকে পরিবর্তনের মাস। গুনাহ থেকে ফিরে এসে চরিত্র ও আমল শুদ্ধ করাই এই মাসের প্রকৃত শিক্ষা।
সিএ/এমআর


