সমসাময়িক বিশ্ব রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, নৈতিক অবক্ষয় এবং মানবিক সংকটে ভরা। এই প্রেক্ষাপটে ইসলামি কল্যাণ রাষ্ট্র মানুষের কল্যাণের জন্য একটি প্রাসঙ্গিক বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কিছু ভৌত সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু ন্যায়বিচার, নৈতিকতা ও মানবিক দায়িত্বের স্থায়ী ভিত্তি গড়ে তুলতে ব্যর্থ। ইসলামি কল্যাণ রাষ্ট্রে রাষ্ট্রক্ষমতা আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শাসক ও শাসিত উভয়ই জবাবদিহিতার আওতায় থাকে।
রাষ্ট্রে শাসন শূরাভিত্তিক এবং নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। শাসক নৈতিকতা, দক্ষতা এবং জনগণের কল্যাণের জন্য দায়িত্বশীল হতে হবে। আইন ও বিচারব্যবস্থা কোরআন ও সুন্নাহ অনুসারে পরিচালিত হয়। অর্থনৈতিক কাঠামো সুদমুক্ত, জাকাত ও বায়তুল মালের কার্যকর ব্যবস্থাপনা সহ দারিদ্র্য বিমোচন এবং শ্রমিক ও ভোক্তার অধিকার রক্ষা করে।
ইসলামি কল্যাণ রাষ্ট্র নৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। এটি নবী (সা.) ও খোলাফায়ে রাশেদিনের সময়কাল থেকে কার্যকরভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
সিএ/এমআর


