বিশ্ব আজ দারিদ্র্য, বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক বৈষম্যের মতো গভীর অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকটের অন্যতম কারণ সুদভিত্তিক আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। ইসলামী দৃষ্টিতে এই ব্যবস্থা মানবতা ও ন্যায়ের পরিপন্থী।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক দর্শনের মাধ্যমে সম্পদের ন্যায্য বণ্টনের কথা বলা হয়েছে। ইসলামী অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো সুদের নিষিদ্ধতা, হালাল উপার্জন এবং সমাজকল্যাণ।
কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। এই নির্দেশনার মাধ্যমে সুদমুক্ত অর্থনৈতিক কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ইসলামী অর্থনীতি সম্পদের প্রকৃত মালিক হিসেবে আল্লাহকে স্বীকার করে এবং মানুষকে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের শিক্ষা দেয়।
জাকাত, সদকা ও ইনসাফভিত্তিক বণ্টনব্যবস্থা ইসলামী অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এতে সম্পদ একটি শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝুঁকি ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দারিদ্র্য হ্রাস ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে।
সিএ/এমআর


