পবিত্র কোরআনের হৃদপিন্ড বলা হয় সুরা ইয়াসিনকে। এটি মানুষের ঈমান দৃঢ় করতে, চিন্তা ও আত্মসমালোচনার শিক্ষা দিতে সাহায্য করে। সুরা ইয়াসিনের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—
১. আল্লাহর বাণী ও উদাসীন মানুষের মনোভাব (আয়াত ১–১২):
মানুষকে সতর্ক না করা হলে তারা গাফেল হয়। কোরআনে বলা হয়েছে, তাদের চোখ ও হৃদয়কে ঢেকে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সত্য না দেখে।
২. ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া (আয়াত ১৩–৩০):
এক জনপদের উদাহরণ, যেখানে তিনজন রাসুল প্রেরিত হয়। সাধারণ মানুষের সাহসী ভূমিকা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
৩. চারপাশের সৃষ্টিজগতের দিকে তাকানো (আয়াত ৩১–৪৪):
প্রকৃতির নিদর্শন থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। মৃত ভূমি থেকে শস্য উৎপন্ন হওয়া এবং রাত-দিনের পরিবর্তন মানুষের জন্য দিক নির্দেশ।
৪. একগুঁয়েমি ও আত্মিক অন্ধত্ব (আয়াত ৪৫–৪৭):
অধ্যবসায় সত্ত্বেও মানুষ সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে।
৫. কিয়ামতের দিনের পরিণতি (আয়াত ৪৮–৭০):
পুনরুত্থান দিবসের দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। যারা সত্য অস্বীকার করেছে, তাদের জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
৬. অহংকার: হৃদয়ের বড় ব্যাধি:
মানুষের অহংকার সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যিনি প্রথম সৃষ্টি করেছেন, তিনিই আবার জীবিত করবেন।
সিএ/এমআর


