জীবনে মানুষ নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়। হতাশা ও দুশ্চিন্তা অনেক সময় মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। ইসলাম মানুষকে হতাশ হতে নিষেধ করে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে শেখায়। দুনিয়ার জীবন পরীক্ষার ক্ষেত্র হলেও এখানেও শান্তি ও প্রশান্তি লাভ সম্ভব।
হাদিসে এসেছে, দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার আর কাফেরের জন্য জান্নাত। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৭০৫৮) অর্থাৎ প্রকৃত সুখ পরকালে হলেও দুনিয়াতেও শান্তির পথ রয়েছে।
সুখ মানে যেকোনো পরিস্থিতিতে প্রশান্তি অনুভব করা। আল্লাহ যা ঘটান, তাতে কল্যাণ রয়েছে—এই বিশ্বাস মনকে দৃঢ় করে।
সুখী থাকার পাঁচটি উপায় হলো—
১. আল্লাহকে স্মরণ করা
আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়। (সুরা রাদ, আয়াত : ২৮) নিয়মিত জিকির হৃদয়ের শান্তি বাড়ায়।
২. দোয়া করা
ছোট-বড় সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা মুমিনের অভ্যাস হওয়া উচিত।
৩. নেক আমল করা
নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দান ও মানুষের উপকার করা ঈমানকে শক্তিশালী করে।
৪. ইস্তিগফার করা
ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া অন্তরকে হালকা করে। নবী (সা.) প্রতিটি বৈঠকে বহুবার ইস্তিগফার করতেন। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস : ১৫১৬)
৫. কৃতজ্ঞতার মনোভাব রাখা
পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত—এই উপলব্ধি মানুষকে কৃতজ্ঞ করে তোলে।
সিএ/এমআর


