চৈত্র মাসে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও বাতাসের শুষ্কতার কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এই সময় সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজে অসাবধানতা, বিশেষ করে রান্নাঘর ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনায় অবহেলা, আগুন লাগার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। তাই এ মৌসুমে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি হয়ে ওঠে।
রান্নার সময় গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রেখে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়া বা চুলার আশপাশে দাহ্য বস্তু রাখা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রান্না শেষে গ্যাস বন্ধ আছে কি না তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার, অতিরিক্ত লোডযুক্ত মাল্টিপ্লাগ ব্যবহারের কারণে শর্ট সার্কিটের ঝুঁকি থাকে। গরমের সময় বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ায় এই ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। তাই নিয়মিত বৈদ্যুতিক লাইন পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।
অসতর্কভাবে ফেলে দেওয়া জ্বলন্ত সিগারেট বা দেশলাই থেকেও আগুন লাগতে পারে। বিশেষ করে শুকনো আবর্জনা বা কাপড়ের সংস্পর্শে এলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, শুকনো পাতা বা দাহ্য বস্তু জমতে না দেওয়া এবং শিশুদের আগুনের উৎস থেকে দূরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই আগুন লাগার পর নিয়ন্ত্রণের চেয়ে আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর।
সিএ/এমআর


