ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নগরবাসী। প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটছেন মানুষ। তবে আনন্দের এই যাত্রা অনেক সময় ভিড়, বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকির কারণে ভোগান্তিতে পরিণত হতে পারে। তাই কিছু সচেতনতা ও পরিকল্পনা মেনে চললে যাত্রা হতে পারে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাত্রার আগে পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়া এড়িয়ে আগেই টিকিট সংগ্রহ ও যাত্রার সময় নির্ধারণ করলে চাপ কমে। পাশাপাশি বিকল্প রুট সম্পর্কে ধারণা রাখাও উপকারী হতে পারে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য পরিবহন নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে বা ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলে—এমন যানবাহন এড়িয়ে চলা উচিত। নিরাপদ ও পরিচিত পরিবহন ব্যবহারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
ঈদের সময় বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন বা লঞ্চঘাটে অতিরিক্ত ভিড় থাকে। এ অবস্থায় নিজের জিনিসপত্র নিজের কাছে রাখা, অপরিচিতদের থেকে দূরে থাকা এবং অচেনা কারও দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে অজ্ঞান পার্টির মতো ঘটনার ঝুঁকি কমে।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তাদের চোখের আড়াল না করা এবং প্রয়োজনে পরিচয়পত্র বা যোগাযোগ নম্বর সঙ্গে রাখা উচিত।
চলন্ত যানবাহনে ওঠানামা করা বা ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ট্রেনের ছাদে বা বাসের দরজায় দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
এছাড়া জরুরি নম্বর মোবাইলে সংরক্ষণ রাখা এবং প্রয়োজন হলে পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সামান্য সচেতনতা ও প্রস্তুতিই ঈদযাত্রাকে করতে পারে নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময়।
সিএ/এমআর


