ইফতার মানেই বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ বা নানা ধরনের ভাজাপোড়া। তবে তেলে ভাজা খাবার খেলে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, অ্যাসিডিটি বা বদহজমের আশঙ্কা থাকায় অনেকেই এগুলো এড়িয়ে চলেন। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে ভাজা খাবার কম তেল শোষণ করবে এবং তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত থাকবে।
ভাজার আগে তেল গরম হওয়ার পর এক চিমটি লবণ ছিটিয়ে দিলে তেলের ওপর হালকা একটি স্তর তৈরি হয়, যা খাবারের অতিরিক্ত তেল শোষণ কিছুটা কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে খাবার মুচমুচে থাকে।
তেলের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। তেল খুব কম গরম হলে খাবার বেশি তেল টেনে নেয়, আবার অতিরিক্ত গরম হলে বাইরে দ্রুত পুড়ে যায়। মাঝারি থেকে কড়া গরম তেলে দ্রুত ভাজলে খাবারের বাইরের অংশ দ্রুত সিল হয়ে যায় এবং ভেতরে তেল ঢোকার সুযোগ কমে।
পেঁয়াজু বা বেগুনি তৈরির সময় ব্যাটারে চালের গুঁড়ো, কর্নফ্লাওয়ার বা সামান্য ভিনেগার মেশালে খাবার আরও মুচমুচে হয় এবং তেল কম শোষণ করে। বেসনের কোটিং খুব পুরু না রেখে পাতলা রাখার চেষ্টা করা উচিত। ব্যাটারে অল্প বেকিং সোডা ব্যবহার করলে ভাজার সময় ছোট ছোট বুদবুদ তৈরি হয়, যা তেল ঢোকা কমিয়ে দেয়।
ভাজা শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে কিচেন টাওয়েল বা টিস্যু পেপারের ওপর খাবার তুলে রাখলে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। তারের র্যাক বা ছিদ্রযুক্ত ঝাঁঝরি ব্যবহার করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।
এ ছাড়া সবজি বা মাছ সরাসরি ভাজার বদলে আগে হালকা সেদ্ধ করে নিলে কম সময় ও কম তেলে ভাজা সম্ভব হয়। পরিষ্কার কড়াই ব্যবহার করাও জরুরি, কারণ পোড়া কড়াইয়ে ভাজলে খাবার বেশি তেল শোষণ করে।
সিএ/এমআর


