ঐতিহ্যবাহী বাংলার জামদানি শাড়ি সাধারণত দামি হওয়ায় অনেকেই তা কিনতে পারেন না। তবে বর্তমানে অনলাইন শপগুলোতে ঈদের সময় কিস্তিতে জামদানি কেনার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী রূপগঞ্জ ও নোয়াপাড়া এখনো জামদানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলে উৎপন্ন বিশেষ মানের তুলা দিয়ে মসলিন ও জামদানি বস্ত্র তৈরি হতো। জামদানি শাড়ির মূল দাম নির্ভর করে সুতার সূক্ষ্মতা, কাজের ঘনত্ব, উৎপাদন খরচ এবং দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ বয়নপ্রক্রিয়ার ওপর।
বাজারে ৬০/৮০ কাউন্ট বা শুধুমাত্র ৬০ কাউন্টের জামদানি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। ৮০/৮৪ কাউন্টের জামদানি শাড়ির দাম ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৩০–৪০ হাজার টাকার ওপরে হতে পারে। কয়েকটি বিশেষ শাড়ির দাম ৭০–৮০ হাজার পর্যন্ত উঠতে পারে। কাউন্ট মানে সুতার সূক্ষ্মতা; সুতা যত মিহি, কাউন্ট তত বেশি এবং দামও বেশি।
অনলাইন শপ ‘জামদানী রাজ্য’ প্রবাসী ও ঢাকাইপ্রেমী ক্রেতাদের জন্য কিস্তিতে শাড়ি কেনার সুযোগ দিচ্ছে। ১০ হাজার টাকার ওপরে শাড়িতে দুই থেকে ছয় মাসের কিস্তি সুবিধা উপলব্ধ। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফ্রি হোম ডেলিভারি ও বিশেষ ঈদ অফার চলছে। অন্যান্য অনলাইন শপও নিয়মিত গ্রাহকদের কিস্তিতে শাড়ি বিক্রির সুযোগ দিচ্ছে।
সিএ/এমআর


