প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্যে ঘেরা চাঁদপুর জেলা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য। ‘ইলিশের বাড়ি’ হিসেবে পরিচিত এই এলাকা নদী, বাতাস ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের সমন্বয়ে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে পর্যটনের অভিজ্ঞতায়। মেঘনা, ডাকাতিয়া ও পদ্মার মোহনায় বসে সময় কাটানোর আনন্দ এখানে অনন্য।
চাঁদপুর ভ্রমণে গেলে বড় স্টেশন নামে পরিচিত তিন নদীর মিলনস্থল না দেখে ফেরা যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। পাশাপাশি ইলিশ চত্বর, ডিসির বাংলো, রক্তধারা ও অঙ্গীকার স্মৃতিসৌধ পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ।
এ জেলায় রয়েছে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। ফরিদগঞ্জের রূপসা জমিদার বাড়ি, শাহরাস্তির বড়কূল জমিদার বাড়ি ও সাহাপুর রাজবাড়ি এবং সদর উপজেলার হরিপুর জমিদার বাড়ি ইতিহাসপ্রেমীদের কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। শত বছরের পুরনো এসব স্থাপনা দর্শনার্থীদের চোখ জুড়িয়ে দেয়।
চাঁদপুর মানেই ইলিশের স্বর্গরাজ্য। এখানে এলে টাটকা ইলিশের বিভিন্ন পদ, ভাজা ও ভর্তার স্বাদ না নিলে ভ্রমণের আনন্দ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। স্থানীয় খাবারের বৈচিত্র্য ভোজনরসিকদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে।
ঢাকা থেকে চাঁদপুরে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও তুলনামূলক কম খরচের। সদরঘাট থেকে লঞ্চে সরাসরি চাঁদপুর যাওয়া যায়। বাস ও ট্রেনেও যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে লঞ্চযাত্রাই সবচেয়ে আরামদায়ক বলে মনে করেন ভ্রমণকারীরা।
চাইলে দিনে গিয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা সম্ভব। যারা রাত কাটাতে চান, তাদের জন্য স্বল্পমূল্যের হোটেল ও গেস্টহাউজের ব্যবস্থাও রয়েছে।
সিএ/এমআর


