যশোরের ৫৩ সরদার মার্কেটের ছোট গলিতে ‘মিজান জুয়েলার্স’ নামে দোকান। মালিক মিজানুর রহমান আশির দশকে ১৪-১৫ বছর বয়সে চাচার দোকানে কাজ শুরু করেন। ২০০৫ সালে নিজের দোকান খোলেন।
১৯৯৪ সালে বিয়ে করার সময় নিজের হাতে স্ত্রীর জন্য দুই ভরি সোনা দিয়ে আংটি, নাকফুল ও কানের দুল তৈরি করেন। ৩১ বছর ধরে সেই গয়না এখনো তাঁর স্ত্রীর সাথে আছে।
২০০০ সালের পর মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্তরা সোনা কিনতে শুরু করলে ব্যবসা বাড়ে। ২০১৫ সালের পর সোনার দাম বেড়ে বিক্রি কমে। বর্তমানে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
মিজানুর রহমান বলেন, ‘হাত, কান ও গলায় মিলিয়ে সেট গড়ে দিয়েছি। অনেকেই দেনমোহর হিসেবে সোনা দেন, আমি নগদ দিয়েছি।’ তিনি চার দশক ধরে ২৬ জনকে কারিগর হিসেবে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।
সিএ/এমআর


