রান্নাঘরে রাখা চাল, ডাল ও মসলা দীর্ঘদিন ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে সহজেই পোকামাকড়ের আক্রমণ হতে পারে। অনেক সময় বাতাস চলাচল করে এমন পাত্রে রাখার কারণে কিংবা ভেজা হাতে ধরার ফলে আর্দ্রতা ঢুকে শস্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ কমে যাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যদ্রব্য দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হলে প্রথমেই পরিষ্কার ও শুকনো পাত্রে সংরক্ষণ করা জরুরি। এয়ারটাইট প্লাস্টিক বা কাচের পাত্র ব্যবহার করলে বাতাস ঢোকার সুযোগ কম থাকে এবং পোকামাকড়ের বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হয়। পাত্রের ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ না থাকলে ভেতরে বাতাস প্রবেশ করে আর্দ্রতা তৈরি হতে পারে, যা শস্য নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ।
চাল বা ডাল ভেজা হাতে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ভেজা হাতে ধরলে শস্যের ভেতরে আর্দ্রতা জমে পোকা ধরার আশঙ্কা বাড়ে। এতে সংক্রমিত খাদ্য গ্রহণের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
প্রাকৃতিক উপায়ে সুরক্ষার জন্য কৌটার ভেতরে কয়েকটি নিমপাতা রাখা যেতে পারে। নিমপাতার গন্ধ পোকামাকড় দূরে রাখতে সহায়তা করে। চাল দীর্ঘদিন ভালো রাখতে শুকনো পুদিনা পাতা বা শুকনো করলার খোসা মিশিয়ে রাখলেও উপকার পাওয়া যায়।
এ ছাড়া সংরক্ষণের ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা দরকার। ১৫ দিন পরপর শস্য পরীক্ষা করলে শুরুতেই সমস্যা শনাক্ত করা সম্ভব হয়। নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন চাল ও ডাল নিরাপদ রাখা যায়।
সিএ/এমআর


