আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্বাচনি কিংবা যে কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ ও প্রচার-প্রচারণার কাজে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভা বা সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
রোববার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনপূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা রয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য ব্যক্তিরা সেমিনার, সংবর্ধনা, যুবসমাবেশসহ বিভিন্ন আয়োজনের নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনি প্রচারণার চেষ্টা করছেন। এসব কর্মসূচির জন্য ভেন্যু হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহারের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা স্থানীয়ভাবে এসব প্রতিষ্ঠানকে সমাবেশের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন। যা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের স্বার্থে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভা বা সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে বলা হয়েছে।
সিএ/এসএ


