ঢাকা ৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা শান্তিতে থাকতে পারেননি। প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছে। এত কিছুর পর যখন নির্বাচন এসেছে, তখন আবার বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগ থানার ৩৭ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ এবং বিআইডব্লিউটিসি শ্রমিক দল আয়োজিত নির্বাচনী মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি আন্দোলন করছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিজ শক্তিতে বলীয়ান হয়ে উঠেছে। আমাদের জোট ও সহযোগী দল থাকলেও বিএনপির শক্তিকে ভয় পেয়ে কিছু দল আমাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে। ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাদের দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিএনপির শক্তি ভীতশূন্য থেকে শক্তিশালী হয়েছে। বর্তমানে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলের নেতৃত্বে কখনো শূন্যতা তৈরি হয়নি।
মির্জা আব্বাস বলেন, কখনো খালেদা জিয়া কখনো তারেক রহমান শূন্যতা বুঝতে দেননি। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মতো তারেক রহমানও দলের কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। এজন্য সবাইকে তার প্রতি দোয়া করার আহ্বান জানান।
গণসংযোগে যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চাকরিটা বড় বিষয় মনে করলে কেউ সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। চাকরির বাইরে যেসব স্ট্রাকচার বা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যায়, সেগুলো শিখতেও হবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করে বাংলাদেশে ভালো আয় করা সম্ভব। যারা মন দিয়ে কাজ করে, তারা খুব ভালো আয় করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, তরুণরা শুধুমাত্র চাকরির ওপর নির্ভরশীল হবে না। নিজেকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে তারা ১০০ জনকে চাকরি দিতে সক্ষম হয়। নিজের দক্ষতা ও ফিল্ডে উন্নতি করা জরুরি। মাঝেমাঝে তার দুঃখ হয়, যারা চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেন, যেমন একজন ডাক্তার ব্যাংকে চাকরি চায় বা একজন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাংকে চাকরি চায়। তিনি বলেন, ভাই, তুমি ইঞ্জিনিয়ার হয়ে তোমার শিক্ষা জাতির কাজে লাগাও, ডাক্তার হয়ে তোমার শিক্ষা রোগীর সেবায় লাগাও।
সিএ/এএ


