আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন মোট ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটার। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যেসব নাগরিকের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের অন্তর্ভুক্ত করেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, হালনাগাদ প্রক্রিয়া শেষে এবার ভোটার তালিকায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই যারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছেন, তারাও জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবার ভোটের সুযোগ পাচ্ছেন।
চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী দেশে বর্তমানে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩৪ জন তালিকাভুক্ত হয়েছেন। ভোটার বৃদ্ধির হারে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি—পুরুষ ভোটার বৃদ্ধির হার ২.২৯ শতাংশ হলেও নারী ভোটার বৃদ্ধির হার ৪.১৬ শতাংশ।
এর আগে গত ৩ নভেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৪ জন। সেখানে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৩৮২ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিলেন ১ হাজার ২৩০ জন। চূড়ান্ত তালিকায় সকল যাচাই-বাছাই শেষে সর্বশেষ এই পরিবর্তন আসে।
সিনিয়র সচিব আরও বলেন, প্রতিটি ভোটারকে ভোটের দিনের আগেই তাদের ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে। নির্বাচন কমিশন মনে করে, হালনাগাদ ও ডিজিটালাইজড ভোটার তালিকা স্বচ্ছ নির্বাচন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিএ/এমআরএফ


