বগুড়া – শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে ৩০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হলেও এখানে পেডিয়াট্রিক আইসিইউ বা ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা নেই।
হাসপাতালের মুখপাত্র মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ জানান, শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে শিশুদের অক্সিজেন সিলিন্ডারের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পেডিয়াট্রিক আইসিইউ চালুর জন্য জনবল ও প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে শিশুদের দ্রুত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দুই শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে শজিমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশু চিকিৎসাধীন। গতকাল বুধবার ওই ওয়ার্ডে শেরপুর জেলার ১০ মাস বয়সী শিশু হুমায়রা মারা যান।
বগুড়ার সিভিল সার্জন মো. খুরশীদ আলম জানান, ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচ দিনে ১৯ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ জন বগুড়ার, বাকি তিনজনের দুজন সিরাজগঞ্জ ও একজন জয়পুরহাটের।
অপরদিকে, জেলার অন্যান্য হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এই মুহূর্তে হামের রোগী নেই। মার্চ মাসে ১১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, যার মধ্যে দুজনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
সিএ/এমই


