রাজশাহীর পবা উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন চৈত্রের গরমে শীতের কম্বল বিতরণ করেছে। সোমবার সকালে পবা উপজেলা মডেল মসজিদের পার্কিংয়ে এ কম্বল দেওয়া হয়। উপকারভোগীরা অভিযোগ করেছেন, শীতবস্ত্রগুলো আসলে গত শীতকালে বিতরণ হওয়া উচিত ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মধ্যে একটি করে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বড়গাছি মসজিদে ২০৮ জন, নওহাটা পৌরসভার মসজিদে ২৩০ জনের মধ্যে কম্বল দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় মোট ১,২৫০টি কম্বল বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ধাপে ধাপে শেষ হবে।
উপকারভোগীরা এ পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নওহাটার বায়াপাড়া এলাকার ইমাম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ঈদের উপহার দেওয়া হবে বলে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু গরমের মধ্যে কম্বল দিয়ে কী করব? শীতের সময় পেলে উপকার হতো।” বড়গাছির ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান বলছেন, “গরমে কম্বল দেওয়ার কোনো অর্থ নেই।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মুসলেহ উদ্দিন জানান, নির্বাচনের সময় বিধিনিষেধ এবং পরবর্তী প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কম্বল বিতরণ বিলম্বিত হয়েছে। রমজান শুরু হলে অনেক ইমাম-মুয়াজ্জিনও আসতে পারেননি, তাই এখন ধাপে ধাপে বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্যকে কম্বল বিতরণে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তবে গরমে শীতের কম্বল বিতরণ বেমানান হওয়ায় তিনি উপস্থিত হননি।
সিএ/এমই


