চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে বেশ কয়েকজন শিশুকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে নগরের তিনটি হাসপাতালে মোট ২৯ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে ৯ জন এবং চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও ২ জন হাম ও হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি আছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মুছা মিঞা বলেন, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশুর বয়স ১৫ মাসের নিচে। তিনি জানান, হাসপাতালে ভর্তি অনেক শিশুর শরীরে র্যাশ, জ্বর ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ দেখা গেছে। এসব শিশুকে শিশু ওয়ার্ডের আলাদা হাম কর্নারে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দাতা সংস্থাগুলোর একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথম হাম শনাক্ত হয়। এরপর ১০ জানুয়ারি ক্যাম্প এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। বাংলাদেশ এখনও হামমুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষিত হয়নি। তবে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে এ রোগের প্রকোপ কম ছিল।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অনেক শিশু নিয়মিত টিকা না পাওয়ায় আবারও হামের সংক্রমণ বাড়তে পারে। পাশাপাশি দেশে কয়েক বছর ধরে হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি না হওয়াও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এ কারণে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসেই দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৪১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সিএ/এমই


