চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ গ্রামে ঘরের সিলিং থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বামীর বসতঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ গৃহবধূর স্বামীকে আটক করেছে।
নিহত গৃহবধূর নাম জিন্নাত আরা বেগম (২৬)। তিনি বাঁশখালীর জলদি মিয়ার বাজার এলাকার মো. হোসেনের মেয়ে। দুই বছর আগে আনোয়ারার তৈলারদ্বীপ গ্রামের মো. ওমর ফারুকের (৩০) সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে আট মাস বয়সী এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
প্রতিবেশী ও স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে জিন্নাত আরা বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন। স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তার তর্ক চলছিল। আজ সকালে স্বামী বাইরে গেলে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন জিন্নাত। পরে স্বামী ফিরে এসে ঘরের চালের টিন খুলে ভেতরে ঢুকে ঘরের সিলিংয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।
নিহতের বাবা মো. হোসেন অভিযোগ করেন, “বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ কারণে স্বামীসহ পরিবারের কেউ আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি মামলা করব।”
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
সিএ/এমই


