কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুলুলঘোনা গ্রামে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে ২৭ বছর বয়সী খোরশেদ আলম নিহত হয়েছেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এবং শহর ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন।
নিহতের মা ছাবেকুন্নাহার ঘটনার স্থান দেখিয়ে আহাজারি করে বলেছেন, “আঁর পোয়া খোরশেদরে ঘরত্তুন ডাকি লই যাই মারি ফেলাইয়ে দে। আঁর বুক হালি গরি দিয়ে যে। যারা আঁর বুক হালি গইজ্যে, আঁই তারার ফাঁসি চাই।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্ববিরোধের জের কাজ করেছে। খোরশেদের সঙ্গে আরিফ নামের এক ব্যক্তির বিরোধ ছিল। হত্যাকাণ্ডের সময় তারেক নামের একজন যুবক জড়িত ছিল, যাকে পুলিশ চকরিয়ার খুটাখালীর একটি বাড়ি থেকে আটক করেছে। তারেকের সহযোগী হিসেবে একজন তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল, তবে পরে তারিন সুলতানার এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
ঘটনার দিন খোরশেদ রাতে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর কবিতা চত্বর এলাকায় দু’জন যুবক তাঁকে ছুরিকাঘাত করে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলেও মৃত্যু হয়। নিহতের শরীরে পেটে ও পায়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
খোরশেদের পরিবারের সদস্যরা হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত ও প্রিহিত হিসাবে উল্লেখ করেছেন। মামা কামাল হোসেন ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং শহরের কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের দমন দাবি করেছেন।
কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, শহরে তিন থেকে চারটি কিশোর গ্যাং শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সিএ/এমই


