রাজশাহীতে মোটরসাইকেল বেচাকেনাকে কেন্দ্র করে জামায়াতের নেতা ও তাঁর সমর্থক এবং দলের আরেক কর্মী ও তার সমর্থকদের মধ্যে বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নগরের হেতেমখাঁ জাদুঘর মোড়ে সংঘর্ষের সময় একটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, জামায়াতকর্মী মমিনুল ইসলাম (মোনা) ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসানের (পারভেজ) মধ্যে মোটরসাইকেল কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে দুজনের সমর্থকেরাও জড়িত হয়ে হাতাহাতি এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
মমিনুল ইসলাম দাবি করেছেন, তাঁর একটি মোটরসাইকেল নিয়ে রাশেদুল হাসান টাকা পরিশোধ না করায় তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, রাশেদুল এলাকায় চাঁদাবাজি করে এবং টাকা না দেওয়ার কারণে আগেই ক্ষিপ্ত ছিলেন। এ কারণে মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।
এদিকে জামায়াতের রাজশাহী মহানগর কমিটি বৃহস্পতিবার সকালে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা নেই। উভয় কর্মীর মধ্যে মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে টাকাপয়সা লেনদেনের দ্বন্দ্বই সংঘর্ষের মূল কারণ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সর্বদা কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেবে না।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান জানান, মোটরসাইকেল কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিএ/এমই


