গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় দিনভর যানজটের পর বিকেলে মহাসড়কে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বৃহস্পতিবার ( ৫ ডিসেম্বর) বিকেলের পর থেকে যানবাহনের চাপ কমে যাওয়ায় ঘরমুখী যাত্রীরা তুলনামূলক নির্বিঘ্নে গন্তব্যে যেতে পারছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড়, চক্রবর্তী এলাকা হয়ে নবীনগর সড়ক এবং চন্দ্রা-কোনাবাড়ী অংশে গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট ছিল। কোথাও কোথাও যানবাহন থেমে থেমে চলায় যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের দুর্ভোগ ছিল বেশি।
সরেজমিনে চন্দ্রা, সফিপুর ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, বিকেলের দিকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় তৎপরতায় যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে। যদিও কিছু স্থানে এখনো ধীরগতিতে যান চলতে দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল ও দুপুরে অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে। সময়মতো পরিবহন না পেয়ে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক ও পিকআপে যাত্রা করেছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও করেছেন যাত্রীরা। তবে বিকেলের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে শুরু করে এবং মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানজট দ্রুত কমে আসে।
বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যান চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যায়। সড়কে যানবাহন নির্বিঘ্নে চলতে দেখা যায় এবং কোথাও বড় ধরনের জট লক্ষ্য করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, সকালে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং কয়েকটি পয়েন্টে ধীরগতির কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বিকেলের দিকে চাপ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়। সারা দিনই তাঁরা মহাসড়কে যান নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশের গাজীপুর জোনের পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার বলেন, ‘মহাসড়কে আমরা টানা কাজ করে যাচ্ছি। পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটি স্থানে পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সড়কে অতিরিক্ত গাড়ি ও পোশাক কারখানা একত্রে ছুটি হওয়ায় ঘরমুখী মানুষের চাপ রয়েছে।’
সিএ/এমই


