চট্টগ্রামের হালিশহর থানার ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড় এলাকায় গত রোববার রাত ১১টার দিকে এক তরুণ বোনকে খুন করে পালানোর চেষ্টা করছিল। এলাকাবাসী তাকে বোরকা পরে বের হওয়ার সময় শনাক্ত করে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন।
নিহত নারীর নাম সেনোয়ারা বেগম। তিনি ওই এলাকার সাবের আহমেদের স্ত্রী। অভিযোগে আটক ব্যক্তির নাম জানে আলম, যিনি নিহত নারীর ছোট ভাই এবং একই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, নিহত সেনোয়ারা বেগম ওই সময় বাসায় একাই ছিলেন, কারণ স্বামী ও ছেলে মসজিদে তারাবিহ নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। তখন জানে আলম এসে বোনের স্বর্ণালংকার নিতে গেলে সেনোয়ারা বাধা দেন। এ সময় তিনি তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে পালানোর জন্য বোরকা পরেছিলেন। তবে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করেন এবং পুলিশে হস্তান্তর করেন। পুলিশের হাতে আটক হওয়ার সময় একদল বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে।
নিহত নারীর ছেলে সেকান্দার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, “বাসায় মা একা থাকায় তাকে খুন করে পালানোর চেষ্টা করছিলেন আমার মামা। তারাবিহ নামাজ শেষে ফিরে দেখলাম, লোকজন তাকে আটক করেছে।”
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। আটক জানে আলমকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
সিএ/এমই


