পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা মা ও তাঁর যমজ এক কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরেক যমজ কন্যা ও মোটরসাইকেলচালক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার ( ৫ ডিসেম্বর) শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রোববার (৭ ডিসেম্বর)
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর দেবীগঞ্জ পৌরসভার নতুন বন্দর এলাকায় দেবীগঞ্জ-সোনাহার সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন দেবীগঞ্জ পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা আজাদ হোসেনের স্ত্রী মমতা বেগম (৩৬) এবং তাঁর পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে মুনতাহা। আহত হয়েছেন মমতা বেগমের আরেক যমজ মেয়ে মোবাশ্বিরা (৫) ও তাঁর ভাগনে মনিরুল ইসলাম (৩০), যিনি মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মমতা বেগম তাঁর দুই যমজ মেয়েকে নিয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার-গজপুরি এলাকায় বাবার বাড়িতে একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে রাতে ভাগনে মনিরুল ইসলামের মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।
পথে দেবীগঞ্জ উপজেলা শহরের বন্দরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী নাদের পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা চারজনই সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মমতা বেগম ও তাঁর মেয়ে মুনতাহাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মোবাশ্বিরা ও মনিরুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় বাসটির চালক মাহাবুল ইসলাম (৪৫) কে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বাসটিও জব্দ করেছে।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম মনিরুজ্জামান চৌধুরী মা ও মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সিএ/এমই


