রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে তিন দিনব্যাপী হাল ফ্যাশন ঈদ ফিয়েস্তা ২০২৬ আজ শেষ হচ্ছে। মেলায় পোশাক, গয়না, ঘর সাজানোর উপকরণ, উপহার সামগ্রী ও খাবারের সঙ্গে ৫৮টি দেশীয় ব্র্যান্ডের অংশগ্রহণ ছিল।
মেলায় ১২টি প্যাভিলিয়ন ও ৫৫টি স্টল রাখা হয়েছিল। দুপুরে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির সহকারী অধ্যাপক শর্মিলি সরকার বলেন, এ ধরনের মেলা ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে আস্থা বাড়াচ্ছে এবং পণ্যের গুণমান সরাসরি দেখার সুযোগ দিচ্ছে।
মেলায় অংশ নেওয়া দেশীয় উদ্যোক্তারা শাড়ি, জামদানি, নকশিকাঁথা, মণিপুরি, গয়না ও খাবারের স্টল সাজিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, ‘নকশা মিস্ত্রী’ শার্ট ও প্যান্টে নকশিকাঁথার ফিউশনধর্মী কাজ উপস্থাপন করেছে। ‘দিশাজ রোড ব্লক’ বাংলা সাহিত্যের চরিত্রের মোটিফ ফুটিয়ে তুলেছে, আর ‘শাড়ি কথন’ শাড়ির পাড়ে পাটের বুননের কাজ দেখিয়েছে।
মেলায় শুধু ক্রেতারা নয়, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছেন। তারা উদ্ভাবনী ডিজাইন ও ব্যবহৃত কাপড়, রং ও নকশা সম্পর্কে সরাসরি জ্ঞান অর্জন করেছেন। শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির শিক্ষার্থী উম্মে তাসনিম তাহারাত বলেন, এই অভিজ্ঞতা ফ্যাশন শিক্ষার্থীর জন্য ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
হালফ্যাশনের পরামর্শক শেখ সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, শেষ দিনে দর্শনার্থী ও ক্রেতার চাপ বেশি ছিল। উদ্যোক্তাদের ৯০ ভাগের বেশি কোনো আউটলেট নেই; তারা এখানে বিক্রি ও প্রতিক্রিয়া পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন।
মেলায় র্যাফল ড্র ও সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্টের মাধ্যমে পাঁচ তারকা হোটেলের ‘কাপল কুপন’ জেতার সুযোগও ছিল।
সিএ/এমই


