বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক নতুন করে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দুই দিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তার সঙ্গে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
সফরকালে তারা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া দেশটির বাণিজ্য, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে ধীরে ধীরে অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে। তবে এখনো বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা চালু করেনি ভারত, যদিও ভারতীয়দের জন্য ভিসা কার্যক্রম চালু হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ভারত আগে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখত, তবে এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে নতুনভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারে।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীন ও ভারতের সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়ে কৌশলী অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়েছে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কয়েক মাস সময় হাতে আছে। আগ্রহের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় যেতে হবে। টেকসই সমাধানের দিকে আমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিত।’
নিরাপত্তা ইস্যুতেও আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ঘিরে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে।
সিএ/এমআর


