দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রতিবেদনে জ্বালানি মজুত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নারী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। রোববার প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনে দেশের সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।
একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মজুত তুলনামূলকভাবে কম। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং তেল বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে দেশের তেল মজুত সক্ষমতা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে অন্তত ৬০ দিনের জ্বালানি তেল মজুতের সক্ষমতা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বর্তমানে দেশে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ দিনের তেল মজুতের সক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ মাত্র ১০ থেকে ১১ দিনের সমান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রায় ৭৪ দিনের তেল মজুত রয়েছে। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় রয়েছে প্রায় ৩০ দিনের মজুত। নেপালে ১০ দিন, ভিয়েতনামে ৪৫ দিন, থাইল্যান্ডে ৬১ দিন এবং জাপানে প্রায় ২৫০ দিনের তেল মজুত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আরেক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় শীর্ষ চাঁদাবাজ ও দাগী অপরাধীদের একটি নতুন তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে সেখানে প্রায় ১৪০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তালিকাভুক্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযান সফল করতে কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। গত কয়েক বছরে এ ধরনের অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য থেকে জানা গেছে।
জ্বালানি বাজারেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ববাজারে পড়ায় অনেকেই ভবিষ্যতের আশঙ্কায় অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। এতে কোথাও কোথাও জ্বালানি পাম্পে চাপ বাড়ছে এবং কিছু স্থানে বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটছে।
সিএ/এমআর


