আমদানি করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজি এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি বহনকারী মোট আটটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর আগেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বাংলাদেশমুখী যাত্রা শুরু করেছিল।
রোববার চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে জাহাজগুলো কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপকূলীয় জলসীমায় অবস্থান করছে এবং পর্যায়ক্রমে বন্দরে নোঙর করার প্রস্তুতি চলছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ফ্রান্সের পতাকাবাহী জাহাজ আল জুর ৬৩ হাজার ৩৮৩ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে ইউনিগ্লোবাল।
এ ছাড়া গ্রিসের পতাকাবাহী জাহাজ আল জাসাসিয়া কাতারের একই বন্দর থেকে ৬৩ হাজার ৭৫ ইউনিট এলএনজি বহন করে এসেছে। বাহামার পতাকাবাহী লুসাইল জাহাজটি একই বন্দর থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ ইউনিট এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ ইউনিট এলপিজি নিয়ে পানামার পতাকাবাহী এলপিজি সেভান জাহাজটি এসেছে। একই বন্দর থেকে পানামার পতাকাবাহী জি ওয়াইএমএম জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ ইউনিট এলপিজি নিয়ে বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এই দুটি জাহাজের স্থানীয় এজেন্সির দায়িত্বে রয়েছে ইউনিক মেরিটাইম।
এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫ হাজার ১৯ ইউনিট মনোইথিলিন গ্লাইকল এমইজি নিয়ে পানামার পতাকাবাহী বে ইয়াসু জাহাজটিও চট্টগ্রামের জলসীমায় পৌঁছেছে।
অন্যদিকে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী আল গালায়েল জাহাজ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৫৭ হাজার ৬৬৫ ইউনিট এলএনজি বহন করে এসেছে। একই বন্দর থেকে ৬২ হাজার ইউনিট এলএনজি নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী লেব্রেথাহ জাহাজও বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এসব জাহাজের আগমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিএ/এমআর


