ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে আলোচনা শেষে জামায়াতে ইসলামী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। চুক্তির ইতিবাচক বিষয়গুলো মেনে নেওয়া হবে, বাকিগুলো বাদ দেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বাসায় পল কাপুরের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে এবং যা জনগণের স্বার্থরক্ষা করবে তা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, জামায়াত যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিনিয়োগের জন্য সুবিধাজনক, যা দেশকে উপকৃত করবে। এছাড়া সংসদে সরকার ও বিরোধীদলীয় অংশগ্রহণ নিয়ে পল কাপুরের প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছে, দলটি সংসদে গতিশীল ভূমিকা রাখবে এবং ইতিবাচক বিষয়গুলোতে সরকারকে সহায়তা করবে।
বিরোধী দল হিসেবে ডেপুটি স্পিকার পদ দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জামায়াত বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে।
সাক্ষাত্কারে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান এবং আমিরের পররাষ্ট্র বিশেষ উপদেষ্টা মীর আহমেদ বিন কাসেম।
সিএ/এমই


