জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়েছেন, তাদের সম্পূরক বৃত্তি কার্যকর না হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব এই হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, উপাচার্য যুক্তরাষ্ট্রে ছুটিতে যাওয়ার আগে সম্পূরক বৃত্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে; অন্যথায় শিক্ষার্থীরা তাঁকে কোথাও যেতে দেবে না।
রাকিব বলেন, ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ শুরু হলেও এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আন্দোলনের ফলে কাজটি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও দুটি আবাসিক হলের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ৭০ শতাংশ আবাসন ভাতা প্রদানের দাবিতে ‘লংমার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করেছিলেন। সেই সময় সরকারের আশ্বাসে তারা একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরেছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসন সম্পূরক বৃত্তি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে এবং জকসুর প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার একবারে পুরো অর্থ দিতে পারবে না; দুই বা তিন কিস্তিতে দেওয়া হবে।
রাকিব আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সম্পূরক বৃত্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং আবাসনসংকট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এটি চালু থাকবে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান প্রামাণিক, জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ হোসেন, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়সাল রাকিব এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাদমান সাম্য।
সিএ/এমই


