পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদিকে হত্যা এবং নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মূল আসামি শরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বাঁশের গুড়ি, হাতুড়ি ও রড উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর ইসলাম জানান, প্রধান আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হলে তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে এককভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন আসামি।
এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরদিন সন্দেহভাজন হিসেবে শরিফুল ইসলামকে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। ওইদিন রাতেই নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার রাতে কান্নার শব্দ শুনে তারা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। পরদিন সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের সরিষার ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় নাতনি জামিলা আক্তারের মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহতদের স্বজনরা জানান, জামিলা আক্তারের বাবা-মায়ের মধ্যে আগেই বিচ্ছেদ হয়েছিল। তিন বোনের মধ্যে জামিলা ছিল ছোট। ছোটবেলা থেকেই সে দাদির সঙ্গে থাকত। তার বাবা জয়নাল খা কিছুদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। জামিলা কোরআনের হাফিজিয়া পড়ার পাশাপাশি পাশের একটি দাখিল মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
সিএ/এমআর


