ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম বিএনপির বিরুদ্ধে সারা দেশে হামলার অভিযোগ তুলে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি দাবি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে তারা রাজপথে নামবেন।
আজ শনিবার বিকেলে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব হয়েছে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে দেওয়ার জন্য। হাসিনাবাদী যে রাজনীতি, সেই রাজনীতিকে ভেঙে নতুন রাজনীতি বিনির্মাণের জন্য। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই হাসিনার রাজনীতি—ফ্যাসিবাদী আমলে যেমনটা দেখা যেত, ঠিক তেমনি নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতা, মারামারি ও দেখে নেওয়ার হুমকি।’
তিনি আরও বলেন, সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন। ভিপি বলেন, ‘যদি আপনারা ব্যর্থ হন, তাহলে আমরা আবার রাজপথে নামব।’ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আপনার নেতা–কর্মীদের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেন যে এই সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না, এই হুমকি দেওয়ার রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না।’
ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, নির্বাচনের পর মূলত দুই ধরনের ঘটনা ঘটছে। একদিকে বিএনপির প্রার্থী পরাজয়ের দায় অন্য প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ওপর চাপিয়ে নিজ দলের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছেন, অন্যদিকে যেখানে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন, সেখানে জামায়াত ও এনসিপির প্রার্থী এবং তাঁদের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এমনকি ৯ বছরের শিশুও হামলা থেকে রেহাই পায়নি। এস এম ফরহাদ বলেন, নির্বাচনের পর বিরোধী ও সরকারি দল তাদের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।
ডাকসুর জিএস আরও বলেন, এসব ঘটনায় দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য আসছে না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সিএ/এমই


