ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণভোট আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের বাংলাদেশ কার্যালয়ের এক বার্তায় বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার। এর মধ্যে সব নারী ও মেয়েদের অধিকার অন্তর্ভুক্ত, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী, ভিন্ন লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষ এবং যারা সমাজে বৈষম্য বা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের অধিকারও সমানভাবে নিশ্চিত করা জরুরি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন নারী সংগঠন ও নাগরিক সমাজ নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হয়রানির বিষয় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে, বিশেষ করে অনলাইন সহিংসতার ক্ষেত্রে। রাজনৈতিক নেতা, কর্মী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারী নারীরা সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্টের অপব্যবহারের ঘটনা বাড়ছে বলে জানান।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সকল অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে মিলিতভাবে নারীদের অর্থপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করা হচ্ছে। নারীদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ভোটার ও প্রার্থী হিসেবে নারীরা যেন ভয়ভীতি, বৈষম্য, অনলাইন নির্যাতন বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়াই অংশগ্রহণ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
জাতিসংঘ সব অংশীদার, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা ও তাদের দল ও সমর্থকদের আহ্বান জানাচ্ছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতি কোনো প্রকার হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি না দেখাতে। নারীর অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। সকলের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ সরকারের পাশে থেকে সহায়তা প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সিএ/এসএ


