নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনায় কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ পাবনা জেলা শাখার উদ্যোগে পাবনা কালেক্টরেট কর্মচারীবৃন্দ এই কর্মসূচি পালন করেন।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দিনব্যাপী কর্মবিরতির শেষ দিনে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পাবনা প্রেস ক্লাবে একটি আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন পাবনা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ওয়াজেদ আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুস সবুর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ পাবনা জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. ইনসাফ আলী।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মো. সাইদুল ইসলাম, এবিএম শফিকুল ইসলাম, আতাউর রহমান, শহিদুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ, লুৎফর রহমান, রফিকুল ইসলাম, ইমদাদুল হক মিলন, সিরাজুল ইসলাম নাসিমসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফসল অন্তর্বর্তী সরকার হলেও এই সরকার আমাদের সঙ্গে বেশি বৈষম্য করছেন। দীর্ঘ ১১ বছর পর আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম এবার বুঝি আমাদের কপাল খুলল। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা। আপনারা আমাদের সঙ্গে, জাতির সঙ্গে তামাশা করছেন।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘এই পাবনার মাটি থেকে বলে দিতে চাই, ২০১৫ সালে প্রণীত ৮ম পে স্কেলে ২০তম থেকে ১১তম গ্রেডের সাথে ১০তম থেকে ১ম গ্রেডের যে ব্যাপক বৈষম্য রয়েছে তা দূর করে একটি সহনীয় পর্যায়ে এনে ৯ম পে স্কেল অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করুন। নইলে আমরা এর চেয়ে আরও কঠোর এবং বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’
পাবনা কালেক্টরেট কর্মচারীবৃন্দ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার এই বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের গোলচত্বর প্রদক্ষিণ করে একাধিকবার বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। আলোচনাসভা শেষে আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি আদায় না হলে আগামী বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সিএ/এএ


