জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে প্রতিপক্ষের হামলায় ইয়ানুর হোসেন নামে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার সোনাকুল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় আল আমিন নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহত ইয়ানুর হোসেন কুসুম্বা ইউনিয়ন যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি উপজেলার গুচ্ছপাড়া গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে। আহত আল আমিন কয়েসকুল গ্রামের বাসিন্দা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস আগে গ্রামের মসজিদের উদ্যোগে একটি মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাহফিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে ছিলেন ইয়ানুর হোসেন। এই হিসাব নিয়ে একই গ্রামের মোস্তফার সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। বিষয়টি ঘিরে গ্রামবাসী দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইয়ানুর হোসেন তাঁর বন্ধু আল আমিনকে সঙ্গে নিয়ে আমিরপুর এলাকা থেকে ফিরছিলেন। পথে পাঁচবিবি-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের সোনাকুল এলাকায় পৌঁছালে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলায় ইয়ানুর ও আল আমিন দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়ানুর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আল আমিনের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ডালিম বলেন, নিহত ইয়ানুর যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাফিজ মো. রায়হান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
সিএ/এএ


