মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘুলিয়া এলাকায় একটি ভুট্টাখেত থেকে মানুষের বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করেছে বানিয়াজুরী তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ। পুলিশ ধারণা করছে, এটি তিন দিন আগে কালীগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া ইজিবাইক চালক রফিক মিয়ার (২৭) লাশের।
পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী জানিয়েছেন, রফিককে গলাকেটে হত্যা করার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া মাথাটির ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে, যা নিশ্চিত করবে এটি রফিকের কিনা।
রফিকের হত্যায় ঘিওর উপজেলার রাথরা গ্রামের মো. রিপন মিয়া (৩০), সদর উপজেলার পাছবারইল গ্রামের আরমান হোসেন (২০) এবং একই গ্রামের সজীব হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, নিহত রফিক ও রিপন মিয়া বন্ধু ছিলেন। ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পনা করে রিপন ও তার সহযোগীরা রফিককে হত্যা করে। ঘটনার দিন কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে আরমান রফিকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে তিনি লুটিয়ে পড়েন। পরে রিপন দা দিয়ে তাঁর গলাকেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করেন, আরমান ও সজীব তাঁর শরীর ধরে রাখে। হত্যার পর তারা রফিকের মাথা ও শরীর নদীতে ফেলে দেয়, পরে লাশ মাটিচাপা করা হয়।
বানিয়াজুরী তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক পুলক কুমার দাস মজুমদার বলেন, আজ সকালে একজন কৃষক ভুট্টাখেতে বিচ্ছিন্ন মাথাটি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে মাথাটি উদ্ধার করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।


