ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণ এখন অনেকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্লাউড স্টোরেজের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়লেও বিনামূল্যের সীমিত ১৫ জিবি স্টোরেজ খুব দ্রুতই পূর্ণ হয়ে যায়। ফলে ব্যবহারকারীদের সামনে প্রায়ই স্টোরেজ আপগ্রেডের নোটিফিকেশন ভেসে ওঠে।
তবে কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলেই অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই স্টোরেজ খালি করা সম্ভব। নিয়মিত অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলা এবং ডেটা গোছানোর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জায়গা পুনরুদ্ধার করা যায় বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
স্টোরেজ খালি করার ক্ষেত্রে বড় ফাইল চিহ্নিত করে মুছে ফেলা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। গুগল ড্রাইভের “Storage” অপশনে গেলে ফাইলগুলো আকার অনুযায়ী সাজানো অবস্থায় দেখা যায়। সেখান থেকে বড় ভিডিও বা ভারী ফাইল মুছে ফেললে দ্রুতই জায়গা ফাঁকা হয়।
ইমেইলের ক্ষেত্রেও একই কৌশল কাজে লাগে। সার্চ বক্সে ‘has:attachment larger:10MB’ লিখে বড় ফাইলযুক্ত ইমেইলগুলো খুঁজে বের করে মুছে ফেলা যায়। তবে শুধু ডিলিট করলেই হবে না, স্থায়ীভাবে জায়গা খালি করতে ট্র্যাশ বা ডাস্টবিনও খালি করতে হবে।
এছাড়া স্প্যাম ফোল্ডারও অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় ডেটা জমিয়ে রাখে। ‘Delete all spam messages’ অপশনের মাধ্যমে একসঙ্গে এসব ইমেইল মুছে ফেলা সম্ভব। পাশাপাশি Social ও Promotions ট্যাব পর্যালোচনা করলেও অতিরিক্ত জায়গা খালি করা যায়।
গুগল ফটোসে জমে থাকা ডুপ্লিকেট ছবি, ঝাপসা শট বা অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দ্রুত স্টোরেজ পূর্ণ করে ফেলে। এগুলো মুছে ফেলা এবং পুরোনো ফাইল বাছাই করে সরিয়ে ফেললে সহজেই জায়গা পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল আগে কম্পিউটার বা অন্য কোনো লোকাল স্টোরেজে ডাউনলোড করে রাখা উচিত। এরপর ক্লাউড থেকে ফাইল মুছে ফেললে ডেটা নিরাপদ থাকবে এবং অনলাইন স্টোরেজও ফাঁকা হবে।
সব মিলিয়ে, নিয়মিত কিছু সচেতন পদক্ষেপই স্টোরেজ সংকট থেকে মুক্তির কার্যকর সমাধান হতে পারে।
সিএ/এমআর


