ইসলামে ফিতরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা রমজান শেষে ঈদের আনন্দকে সবার জন্য সমানভাবে উপভোগ্য করে তোলে। এটি ধনী-গরিবের ব্যবধান কমিয়ে সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।
ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, ফিতরার মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ হয়, ফলে ঈদের দিনে তাদের কারও কাছে সাহায্য চাইতে হয় না। এতে করে সমাজের সব স্তরের মানুষ ঈদের আনন্দে অংশ নিতে পারে।
একইসঙ্গে ফিতরা রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার মাধ্যম হিসেবেও বিবেচিত। ইবাদতে যে ঘাটতি থেকে যায়, তা পূরণে ফিতরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
হাদিসে বর্ণিত আছে, “রাসুলুল্লাহ (সা.) জাকাতুল ফিতর, তথা ফিতরা আবশ্যক করেন অনর্থক ও অশ্লীল কথাবার্তা দ্বারা সিয়ামের যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়, তা থেকে পবিত্র করা এবং মিসকিনদের খাদ্য প্রদানের জন্য। ঈদের সালাতের আগে আদায় করলে তা জাকাতুল ফিতর হিসেবে গণ্য হবে। আর ঈদের সালাতের পর আদায় করলে তা অন্য সাধারণ দানের মতো একটি দান হবে।”
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, নারী-পুরুষ, ছোট-বড় সকল মুসলিমের জন্য ফিতরা আদায় করা আবশ্যক। এটি নির্ধারিত খাদ্য বা তার সমমূল্যের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
ফিতরা আদায়ের উত্তম সময় ঈদের নামাজের আগে। তবে ঈদের এক বা দুই দিন আগেও তা আদায় করা যেতে পারে।
সিএ/এমআর


