বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বদলি, পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগকে কেন্দ্র করে তৎপরতা বেড়েছে। পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তারা কাঙ্ক্ষিত পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
কিছু কর্মকর্তা আগের সরকারের আমলে পদোন্নতি না পাওয়া কিংবা চাকরিচ্যুত হওয়ার বিষয়টি নতুন সরকারের নীতিনির্ধারকদের নজরে আনার চেষ্টা করছেন। আবার দীর্ঘ সময় চাকরির বাইরে থাকা কর্মকর্তারাও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়ার জন্য তদবির চালাচ্ছেন। এ জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময় একক রাজনৈতিক শাসনের কারণে পুলিশের দক্ষ ও আস্থাভাজন কর্মকর্তা বাছাই করতে সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক কর্মকর্তা অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে বিতর্কিত হলেও সরকার যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে তরুণ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের ওপর বেশি ভরসা রাখার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুলিশের বদলি ও পদোন্নতি অবশ্যই পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। পরিকল্পিত ও নিয়মতান্ত্রিক পদায়নের মাধ্যমে বাহিনীর মনোবল ফেরানো সম্ভব।
সিএ/এমআর


